শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫, ০৮:৫৫ অপরাহ্ন
ফতুল্লা প্রতিনিধিঃ মাদক ব্যবসায়ী, মাদকসেবী, জুয়ারীসহ নানা শ্রেনীর অপরাধ আর অপরাধীদের নিরাপদস্থল হয়ে উঠেছে পাগলা বৈরাগী বাড়ি এলাকার দেলোয়ার মিয়ার পরিত্যক্ত বাড়ি।
প্রতিদিন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত মাদক সেবীদের অতিমাত্রায় আনাগেনা। মাদকের এই বিশাল বাজার এখানে, হাত বাড়ালেই মিলছে মরণ নেশা হেরোইন, ইয়াবা, ফেন্সিডিলসহ সকল ধরনের মাদক।
ফতুল্লা থানার পাগলা-কুতুবপুরের বিশাল মাদক বাজারের মাদকের চাহিদা পরিত্যাক্ত দেলোয়ার মিয়ার বাড়ি ও খালপার থেকে সরবরাহের মাধ্যমে মাদক চাহিদা পূরন করা হয়ে থাকে বলে জানা যায়।
তথ্য অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে এই মাদকের হাট বসিয়েছে শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী বৈরাগী বাড়ি এলাকায় গণধর্ষণ ও নয়ামাটি এলাকায় মাসুদ মার্ডার মামলার এজাহার ভুক্ত আসামি কিশোর গ্যাং এর লিডার রনি ও তার ছোট ভাই সাগর।
সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত নিজের হাতেই এলাকার মাদক বিক্রেতাদের নিকট মাদক সরবরাহ করে থাকে এই দুই সহোদর ভাই।
পাগলা বৈরাগী বাড়ি এলাকায় দেলোয়ার মিয়ার পরিত্যক্ত বাড়ির ছাদে ও আশেপাশে চলে মাদক সেবন ও মাদকের বিক্রি ও সরবরাহ।আর এই মাদক বিক্রির রমরমা টাকায় এমিলের বাড়িতে চলে জুয়া খেলা।
মাদক ব্যবসায়ী রনি ও সাগরের ৮/১০ জনেরও বেশি সেলসম্যান রয়েছে, যারা কমিশনে মাদক বিক্রি করছে।নয়ামাটি হয়ে বৈরাগী বাড়ি এলাকায় প্রবেশ পথ থেকেই বিক্রি হয় ইয়াবা, হেরোইন, গাঁজা, চোলাইমদসহ নানা মাদক।
প্রতিদিন লক্ষ-লক্ষ টাকার মাদক বিক্রি হচ্ছে এই মাদক স্পটটিতে, মাদকের এক স্বর্গরাজ্যে পরিনত হয়েছে পাগলা বৈরাগী বাড়ি এলাকা। শুধুমাত্র মাদকেই সীমাবদ্ধ নয় রনি ও সাগরের সিন্ডিকেটের সদস্যরা এলাকায় চুরি-ছিনতাই,ফিটিং এর মতো ভয়ানক ঘটনার জন্ম দিচ্ছে প্রতিনিয়ত।
ফতুল্লা মডেল থানা থেকে ১০ মিনিটের পথ হলেও প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে,প্রকাশ্যে চলছে মাদক বিক্রি। মাদক ব্যবসায়ী রনি ও সাগরকে আইনের আওতায় আনা হলে মাদক ব্যবসা কমবে বলে দাবি এলাকাবাসীর।
Leave a Reply